ঢাকাTuesday , 11 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. কর্পোরেট
  6. কর্মখালি
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. খাদ্য ও কৃষি
  9. গণমাধ্যম
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. পর্যটন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাশের খাতায় শূন্য ভুজপুর  নারায়নহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

Link Copied!

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা ভুজপুর থানার নারায়নহাট ইউনিয়নে একটি উচ্চ বিদ্যাল ২০২৬ সালে অনুষ্ঠব্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে নারায়নহাট বালিকা উচ্চ  বিদ্যালয় ৩ জন ছাত্রী কিন্তু ফলাফল শূন্য।

১০ আগস্ট (সোমবার) সারা দেশের ১০ বোর্ডের অধিনে ২১এপ্রিল  শুরু হয়েছিল এসএসসি দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা। চট্টগ্রাম বোর্ডের অধিনে  ফটিকছড়ি উপজেলা ভুজপুর থানার ৩নং নারায়নহাট ইউনিয়নের নারায়নহাট বালিকা উচ্চ  বিদ্যালয় মাত্র ৩ ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। ১০ আগস্ট সোমবার প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফল চট্টগ্রাম বোর্ডের ৮ বিদ্যালয়ের কেউ পাশ করেনি এই তালিকায় নারায়নহাট বালিকা  উচ্চ বিদ্যালয় ও রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত বছর ও এই বিদ্যালয় থেকে মানবিক শাখা থেকে ২ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিল সে বছর ও ২ জনই ফেইল অর্থাৎ পাশের খাতায় শূন্য।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় ২৫ বছর আগে (২০০১ সালে) প্রতিষ্ঠত হয় নারায়নহাট বালিকা উচ্চ  বিদ্যালয়। ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ১৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, ৭ শিক্ষক রয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে মুটোফোনে একাদিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি তবে কথা হয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মোঃ শওকত হোসেন সিকদারের কথা হয় তিনি বলেন ২৫ বছর ধরে স্কুলটি নন এমপিও ভুক্ত হয়নি। এই বছর তিন জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করতে টাকা ছিল,তা আমি দিয়েছি। কেউ পাশ না করা খুব দুঃখ জনক।

ফলাফল ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড.সেলিম রেজা বলেন পরীক্ষায় ফেল করা বিষয় অত্যন্ত লজ্জাজনক। তবে শিক্ষকের সংখ্যা নিয়ে রয়েছে ভিন্নমত।

তিনি বলেন, আমি কয়েকবার পরিদর্শনে গিয়েছি। সেখানে কয়েকজন শিক্ষার্থী দেখলেও তেমন শিক্ষক নেই। ৭০ বছর বয়সী একজন প্রধানশিক্ষক দায়িত্বে রয়েছেন, ২ জন পিয়ন ও কর্মচারী রয়েছে এটা সঠিক নয়।সম্ভবত এমপিও আবেদন জন্য কাগজে কলমে সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে বাস্তবে তা নেই। এই বছর মানবিক বিভাগে ২ জন,বিজ্ঞান বিভাগে ১ জনসহ মোট ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে কিন্তু একজনও পাশ করেনি।

এই বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন একজনও পাশ করেনি এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ননএমপিও হলেও তারা সরকারি বই পাই। শিক্ষক থাকার পর ও ৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে।৩ জন-ই ফেল করেছে। আমরা পরিচালনা পরিষদের সাথে কথা বলে শিক্ষকের সমস্যা ও অন্যান্য সমস্যা থাকলে তাও ব্যবস্হা নেব।