চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার সদর আলিফ হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রসূতি মা ও তার গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, চিকিৎসায় অবহেলা ও ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
স্বজনদের দেওয়া তথ্যমতে, প্রসব বেদনা নিয়ে ওই নারীকে ১৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার প্রথমে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব না হওয়ায় তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
পরে আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে তাকে নাজিরহাট পৌরসভার সদর আলিফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তির পর রোগীকে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর তিনি অতিরিক্ত প্রসববেদনা অনুভব করতে থাকেন এবং একপর্যায়ে মারা যান।
পরিবারের আরও অভিযোগ, প্রসূতির মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে চট্টগ্রাম শহরের একটি হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পাঠিয়ে দেয়। এ সময় গর্ভের শিশুর শারীরিক অবস্থা যথাযথভাবে নির্ণয় করা হয়নি বলেও অভিযোগ পরিবারের।
স্বজনদের দাবি, চিকিৎসার পুরো প্রক্রিয়া ও হাসপাতালে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই মা ও তার অনাগত সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।
আলিফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কল রিসিভ করা হয়নি।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তদন্ত, চিকিৎসা নথি যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।
