ঢাকাMonday , 13 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. কর্পোরেট
  6. কর্মখালি
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. খাদ্য ও কৃষি
  9. গণমাধ্যম
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  13. নারী ও শিশু
  14. পর্যটন
  15. পার্বত্য জেলার খবর

মাতাই পূখিরীতে ত্রিপুরাদের ঐতিহ্যবাহী তীর্থমেলা-১৪৩৩ অনুষ্ঠিত

Link Copied!

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির সদর উপজেলার নুনছড়িতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মাতাই পূখিরী (দেবতা পুকুর) তীর্থস্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে তীর্থমেলা-১৪৩৩

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৮টায় মাতাই পূখিরী তীর্থমেলা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তীর্থমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী গোরিয়া নৃত্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি জোনের জোন মাননীয় অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আল জাবির আসিফ, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেজর মোঃ আহসান উল্লাহ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, তীর্থমেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, মাতাই পূখিরী মন্দিরের সন্ন্যাসী, নুনছড়ি ইউপি সদস্য, মহালছড়ি জোনের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ জাফর আলী, মাইসছড়ি ফাঁড়ি থানার ইনচার্জ, বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিকবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সনাতনী সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলা নববর্ষ বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের একটি সার্বজনীন উৎসব। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে এ উৎসব উদযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
তিনি আরও বলেন, “আমরা সবাই বাঙালি, আমরা সবাই একসাথে পাহাড়ে বসবাস করবো।” এবং নতুন বছর যেনো সকল জাতির মাঝে সম্প্রীতি বয়ে আনে।

প্রায় ১৪০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই তীর্থস্থানে আগত ত্রিপুরা সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের মনোবাসনা পূরণের আশায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালন করেন। কেউ মোমবাতি জ্বালান, আবার কেউ কবুতর উড়িয়ে প্রার্থনা করেন।

মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে তারা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পারছেন এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নেই।

এবং অনূষ্ঠান শেষে,মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে মেলা উদযাপন কমিটিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।