ঢাকাSaturday , 11 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. কর্পোরেট
  6. কর্মখালি
  7. ক্রীড়াঙ্গন
  8. খাদ্য ও কৃষি
  9. গণমাধ্যম
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  13. নারী ও শিশু
  14. পর্যটন
  15. পার্বত্য জেলার খবর

চট্টগ্রামে মাছ ধরার ট্রলারে ৫ লাখ ইয়াবা, ৫ রোহিঙ্গাসহ গ্রেপ্তার ৯

ভয়েস ডেস্ক
April 11, 2026 2:52 pm
Link Copied!

চট্টগ্রামে মাছ ধরার ট্রলার থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকার পাঁচ লাখ পিস ইয়াবাসহ নয় মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। পতেঙ্গা এলাকায় বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ তাদের আটক করা হয়।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।

গ্রেপ্তার নয়জনের মধ্যে পাঁচজন রোহিঙ্গা এবং চারজন বাংলাদেশি। গ্রেপ্তার রোহিঙ্গারা হলেন- সৈয়দ আলম, সুলতান আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ কাসিম এবং মোহাম্মদ ইসমাইল। তারা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তার অন্য চার বাংলাদেশি হলেন-শাহ আলম, আজমুল্লাহ, মোহাম্মদ ফারুক এবং সানাউল্লাহ। তাদের সবার বাড়ি টেকনাফ এলাকায়।

তারা দাবি করেছেন, তারা পেশায় মৎস্যজীবী এবং গত চার মাস ধরে বোটটি ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করছেন।

র‌্যাব জানিয়েছে, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সাগরপথে ইয়াবার একটি বড় চালান চট্টগ্রামের দিকে আসছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে নৌযানে করে সাগরের গভীরে যায়। সেখানে একটি ফিশিং বোট তল্লাশি করে মাছ রাখার তিনটি বস্তা পাওয়া যায়। ইয়াবাগুলো মাছ বহনের জন্য ব্যবহৃত ওই বস্তাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এসব বস্তার ভেতর মোট ৫০টি ছোট ছোট কাঠের ফ্রেম ছিল, যার প্রতিটিতে ১০ হাজার করে ইয়াবা সাজানো ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব অধিনায়ক জানান, সাগরে মাছ ধরা বন্ধের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার আগেই মাদক কারবারিরা তড়িঘড়ি করে এই চালানটি খালাস করার চেষ্টা করছিল। অভিযানে বোটটি থেকে মাত্র পাঁচ-ছয় কেজি মাছ উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে দাতব্য সংস্থায় দান করা হয়েছে।

মাদকের নতুন রুট হিসেবে রেলপথের ব্যবহার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, ‘কক্সবাজার রেল স্টেশন চালুর পর থেকেই মাদক কারবারিরা ট্রেনকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। স্টেশনের আধুনিক স্ক্যানার এড়াতে তারা স্টেশনের চারপাশের খোলা বাউন্ডারি দিয়ে প্রবেশ করে যাত্রীদের ব্যাগে মাদক তুলে দেয়।

এ বিষয়ে প্রশাসন ও সরকার সচেতন রয়েছে এবং রেললাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় প্রকল্পের কাজ চলছে।র‌্যাব জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আইন-আদালত সর্বশেষ