চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় উপজেলার করইয়ানগর ঠাকুরদিঘী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়ন,ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাদক বিরোধী র্যালি, অভিভাবক সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৪সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে উক্ত বিদ্যালয়ের হলরুমে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জমির উদ্দিনের সঞ্চালনায়,অত্র বিদ্যালয়ের সাভাপতি দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া ব্রিক ফিল্ড মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া থানার ওসি তদন্ত সিরাজুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
চিব্বাড়ি মজিদিয়া মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহমুদুল হক,অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কান্তি দাশ, সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাভাপতি শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ ইউসুফ।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন পল্লী চিকিৎসক নেপাল কান্তি দাশ,বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক নাছির উদ্দিন চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জামাল হোসেন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক কামাল হোসেন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক ছৈয়দ নুর,বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুর রহমান সওদাগর,প্রবাসী মোহাম্মদ সেলিম,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাবেদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি ফরিদুল আলম বলেন,মাদকের উপদ্রব দিনদিন বেড়ে যাচ্ছে। এই মাদক থেকে বাঁচার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।অন্যথায় এলাকার পরিবেশ নষ্ট হবে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তিনি আরো বলেন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজেদের ছেলে মেয়েদেরকে মাদক মুক্ত রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।এব্যাপারে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে।
এলাকায় মাদক কারবারীরা থাকবে না হয় মাদক বিরোধীরা থাকবে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিলে সমাজ মাদকমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে জানান।
তিনি আরো বলেন,এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবাইকে সাথে নিয়ে পরিস্থিতির আলোকে যা যা করতে হয় তা করার জন্য আমরা বদ্ধ পরিকর বলে জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু কি ডেঙ্গু থেকে বাঁচার জন্য দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ও দিক নির্দেশনা দেন পল্লী চিকিৎসক নেপাল কান্তি দাশ।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাতকানিয়া থানার ওসি তদন্ত সিরাজুল ইসলাম,শিক্ষকরা কি শিক্ষা দিচ্ছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়ার দায়িত্ব হচ্ছে অভিভাবকদের।তাই অভিভাবককে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন ছেলেকে কিভাবে যুগোপযোগী মানুষ করা যায় তার দায়িত্ব পিতা মাথাকে নিতে হবে এবং সজাগ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন-ছেলেরা স্কুলে যাচ্ছে কি না এবং স্কুলের নাম দিয়ে কোথায় যাচ্ছে তা দৃষ্টি রাখতে হবে।অন্যথায় ছেলে মেয়েরা পথভ্রষ্ট হবে।
তিনি বলেন-ছেলে মেয়েরা কার সাথে চলাফেরা করছে সেটির প্রতিও দৃষ্টি রাখতে হবে।কারণ সৎ সঙ্গে সর্গবাস, অসৎ সংঙ্গে সর্বনাশ বলে জানান।
সভাপতির বক্তব্যে দিদারুল আলম বলেন,
শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বিনির্মাণের জন্য আমি সবার সহযোগীতা নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়।যে জাতী যত বেশি শিক্ষিত সে জাতী তত বেশি উন্নত। জাতীকে উন্নতির শিখরে নিতে হলে জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই।
তিনি আরো বলেন বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে যুগোপযোগী আধুনিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে।অন্যথায় চ্যালেঞ্জিং বিশ্বে টিকে থাকা সম্বব নয়।
তিনি আরো বলেন জাতীকে বর্তমান চ্যালেঞ্জিং নেওয়ার জন্য এবং আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হলে অভিভাবককে এগিয়ে আসতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।অন্যথায় জাতী উন্নত হবেনা।