
গতকাল বৃহস্পতিবার রাঙ্গুনিয়ার চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় সবার আগে যে মানুষটি এগিয়ে আসে সিএনজি চালক আবুল হাসান বাদশা।
বাদশা চার বোনের মধ্যে একমাত্র ভাই। জীবনের প্রতিটি দিনই তার কাছে সংগ্রামের। তিনি দৈনিক জমার ভিত্তিতে ভাড়ায় সিএনজি চালান। সারাদিন পরিশ্রম করে রাতে মালিকের ইনকাম পরিশোধ করতে হয়। এরই মধ্যে মাত্র ১০–১১ মাস আগে তার বিয়ে হয়েছে।
কয়েক মাস আগে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে তার ভাড়ায় চালিত সিএনজি চুরি হয়ে যায়। মালিকের ক্ষতিপূরণ দিতে তাকে ঋণ করতে হয়েছে, অনেকদিন বেকারও থাকতে হয়েছে। সেই ঋণের বোঝা এখনো মাথায় নিয়েই আবার নতুন একটি সিএনজি দৈনিক জমায় চালাচ্ছেন।
এত কষ্ট, এত দুশ্চিন্তার মাঝেও মানুষের উপকার করতে তিনি কখনো পিছপা হন না। কারও বিপদ দেখলে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না।
ছোটবেলা থেকে একজন পরোপকারী, সৎ ও হৃদয়বান মানুষ বাদশা। সড়ক দূর্ঘটনা পর দূর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে নিয়ে বাদশার প্রচেষ্টা দেখে নেটিজেনরা তার প্রসংশা মেতেছেন। এমন মানবিক মানুষের জন্য দোয়া করছেন হৃদয় ভরে।